আমলা,ডাক্তারে,ইঞ্জিনিয়ার কৃষি ও কারিগরি ডিগ্রিধারী ছাড়া কেউ স্কুল কলেজের সভাপতি হতে পারবে না। বেসরকারি আইনজীবী, শিক্ষক,ব্যারিস্টার, সাংবাদিক, মন্ত্রী, এমপিরাও হতে পারবেন না বেসরকারি স্কুল ও কলেজের সভাপতি। বাংলা ও ইংরেজি সাহিত্যে পিএইচডি ডিগ্রি নিলেও কেউ সভাপতি হতে পারবে না। শুধু তাই নয় কলা ও ব্যবস্যায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত যেকোনো শিক্ষার্থীর পিএইচডি ডিগ্রি থাকলেও বেসরকারি স্কুল ও কলেজের সভাপতি জন্য মনোনীত হবে না।
৩১ শে আগস্ট বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কলেজের কমিটি সংক্রান্ত এমনই এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রোণালয় ।
প্রবিধানে বেসরকারি স্কুল ও কলেজের সভাপতি মনোনয়নের বিষয়ে বলা হয়েছে , শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান, সরকারি,আধা সরকারি বা স্বায়িত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ৯ম গ্রেডের নিম্নে নয় এমন কোনো কর্মকর্তা বা ৫ম গ্রেডের নিম্নে নয় এমন অবসরপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বা সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক বা অধ্যাপক, সংশ্লিষ্ট বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা, এমবিবিএস বা প্রকৌশল বা কৃষিসহ যেকোনো কারিগরি বিষয়ে ৪ বছর মেয়াদি স্নাতক ডিগ্রিধারী ব্যক্তিদের মধ্যে থেকে তিন জনের নামের প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবোর্ডের নিকট প্রেরণ করবেন ।
স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির ক্ষেত্রে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বা সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক পদমর্যাদা কাউকে প্রস্তাব করা যাবে। এর বাইরে বেসরকারি নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও কলেজের সভাপতির জন্য কারও নাম প্রস্তাব করার সুযোগ নেই।