নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরিবা আফশীনের মা বলেন,’মোবাইলের ব্যবহারে সবাইকে সাবধান হতে হবে। এটার যেমন ভালো সাইড আছে তেমনি মন্দ সাইডও আছে। ‘

এই বিদ্যালয়ের সাবেক এসএমসির অভিভাবক সদস্য মো. শাহীন মাঝি বলেন, ম্যানেজিং কমিটিতে নির্বাচনের মাধ্যমে আসতে হবে। অভিভাবকরা ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত কমিটি গঠন করলে তারা সঠিক ভাবে কাজ করবে।’
ইঞ্জিনিয়ার মো. আওলাদ হোসেন বলেন,’শিক্ষকদের নতুন পদ্ধতির লেখাপড়া সম্পর্কে জ্ঞান রাখতে হবে। তাদের উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।’
এই বিদ্যালয়ের সাবেক বিদ্যোৎসাহী সদস্য মো. শাহ জাহান খালাসী বলেন, শিক্ষকদের নিজেদের বাসায় ভালো ভাবে পড়ে প্রস্তুতি নিয়ে ক্লাসে ঢোকতে হবে।’
বিদ্যালয়ের সাবেক অভিভাবক সদস্য ও বর্তমান নারিশা ইউপি সদস্য বিল্লালুর রহমান জুয়েল মোড়ল বলেন,’অনেকে প্রখর মেধা থাকার কারণে লেখা পড়া কম থাকলেও ভালো পড়ায়। আবার অনেকে সাধারণ জ্ঞান না থাকার কারণে উচ্চ ডিগ্রি নিয়েও ভালো পড়াতে পারে না। আমাদের মেধাবী শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে।’
বিদ্যালয়ের বর্তমান অভিভাবক সদস্য মো. দেলোয়ার হোসেন মোড়ল অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন,’আমি প্রতিদিনই স্কুলে আসি, আপনারা আমাকে যেকোনো প্রয়োজনে সব সময় পাশে পাবেন।’
সমাপনী বক্তব্যে প্রধান শিক্ষক মো.শরিফ উদ্দিন বলেন, ‘আইসিটি ক্লাস সপ্তাহে বাড়িয়ে দেওয়া হবে, ক্যানটিনের খাবার উন্নত করবো,আগামীকাল থেকে প্রতিদিনই ডিটারজেন্ট দিয়ে ওয়াশরুম পরিষ্কারের ব্যবস্থা করবো।’

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন শাহআলম মোড়ল, মেঘুলা ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতি মো. আলাউদ্দিন, সেলিম মাঝি, আবুল বাশার, আনোয়ার বেপারিসহ নবম শ্রেণির শ্রেণিশিক্ষকমণ্ডলী ও ছাত্রীবৃন্দ।
