১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানে জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ- ২০২৫ মানলেন না প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিইসি।
জুলাই জাতীয় সনদ ( সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশে – ২০২৫ এর ৭ ধারায় বলা হয়েছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে। সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্য হিসেবে অভিহিত হবেন।
জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশের ৮ ধারা বলা হয়েছে,” নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণের পর একই অনুষ্ঠানে আদেশের তফশিল-১ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন এবং শপথপত্রে স্বাক্ষর দান করবেন।
তফশিলে বলা হয়েছে জাতীয় সংসদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের যিনি শপথ পাঠ পরিচালনা করবেন, তিনিই সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের নিম্নরূপ শপথ পরিচালনা করবেন:
” আমি……………………………..সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্য হিসেবে সশ্রদ্ধচিত্তে শপথ করিতেছি যে, আমি যে কর্তব্যভার গ্রহণ করিতে যাইতেছি, তাহা আইন অনুযায়ী ও বিশ্বস্ততার সহিত পালন করিব; আমি বাংলাদেশের প্রতি অকৃত্রিম বিশ্বাস ও আনুগত্য পোষণ করিব; এবং পরিষদ-সদস্য রূপে আমার কর্তব্য পালনকে ব্যক্তিগত স্বার্থের দ্বারা প্রভাবিত হইতে দিব না।”