চলতি ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে মহান বিজয় দিবস পালনে সরকারি সর্বমোট বরাদ্দ ছিলো ১,৭৫,০০০ (এক লক্ষ পঁচাত্তর হাজার) টাকা। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনার জন্য মোট ৭৫,০০০ (পঁচাত্তর হাজার )টাকা ব্যয় করা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আপ্যায়নের জন্য ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার )টাকা, রজনীগন্ধা ফুল ক্রয়ের জন্য ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা, ব্যানার বানাতে ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা, ডেকোরেশনের জন্য ১৫,০০০ (পনেরো হাজার)টাকা খরচ করা হয়েছে। এখানে ভ্যাট হিসেবে ৬,২৫০ টাকা ও ৩,৭৫০ টাকা আয়কর দেখানো হয়েছে।
বিজয় মেলার আপ্যায়নের জন্য ৬৫,০০০ (পয়ষট্টি হাজার) টাকা, ডেকোরেশনের জন্য ১৯,০০০ (উনিশ হাজার) টাকা, সাউন্ড সিস্টেম ভাড়া ৬,০০০ (ছয় হাজার) টাকা ও ব্যানার বানাতে ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা খরচ করা হয়েছে। বিজয় মেলার আয়োজনে মোট ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) টাকা খরচ করা হয়েছে। এখানে ভ্যাট ও আয়কর যথাক্রমে ৮,৫০০ ও ৫,০০০ টাকা দেখানো হয়েছে। মোট ১,৭৫,০০০ (এক লক্ষ পঁচাত্তর হাজার) টাকা বরাদ্দের মধ্যে ১,১৫,০০০ (এক লক্ষ পনেরো হাজার) টাকা আপ্যায়নেই ব্যয় হয়েছে। ডেকোরেশনে মোট ৩৪,০০০ (চৌত্রিশ হাজার) টাকা ও ব্যানারে মোট ১৫,০০০ (পনেরো হাজার) টাকা ব্যয় করা হয়েছে। সাউন্ড এর জন্য মোট ৬,০০০ (ছয় হাজার) টাকা খরচ করা হয়েছে।
মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও বিজয় মেলার অনুষ্ঠানের মোট বরাদ্দের ১,৭৫,০০০ টাকা এভাবেই খরচ করেছেন তৎকালীন দোহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইলোরা ইয়াসমিন ।