পানিতে ডুবে মৃত্যু নয় হত্যা করা হয় ৮ বছরে শিশু লাবিবকে। গত ২৭ জুন সন্ধ্যায় খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় ৮ বছরের শিশু লাবিব। পরদিন ২৮ জুন রাত আড়াইটার দিকে লাবিবের বাড়ি থেকে ১ কিলোমিটার দূরে সেন্টু মিয়ার ডোবাপুকুরে লাবিবের ভাসমান লাশ খুঁজে পায় এলাকাবাসী। এটি ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বড় বাহ্রা এলাকার ঘটনা। ঘটনায় লাবিবের মা চম্পা বেগম বাদী হয়ে ২৮ জুন নবাবগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলা নং ২৯। মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ঐ এলাকার কফিলউদ্দিনের ছেলে বাবুলকে (৪০) গ্রেফতার করে পুলিশ। পরবর্তীতে ২৯ জুলাই তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মামলার প্রধান আসামি সায়েম মোল্লাকে (২২) ময়মনসিংহ থেকে গ্রেফতার করে নবাবগঞ্জ থানার পুলিশের একটি আভিযানিক দল। সায়েম মোল্লা মৃত জসিম উদ্দিনের ছেলে।
সায়েম কেরানীগঞ্জের কলাতিয়া এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। নবাবগঞ্জের বড় বাহ্রা এলাকার বর্তমান বাসিন্দা সে। দীর্ঘ দিনের পারিবারিক শত্রুতার কারণে সায়েম শিশু লাবিবকে গলাটিপে হত্যা করে সেন্টু মিয়ার পুকুরে ফেলে দেয় । ৩০ জুলাই আদালতে সায়েম স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় বলে দোহার-নবাবগঞ্জ সার্কেলের পুলিশের এএসপি মো. আশরাফুল আলম জানিয়েছেন।